25 September, 2021 (Saturday)
শিরোনাম

‘কম খরচে নির্বাচনের দেশ’ জার্মানি

প্রকাশিতঃ 13-09-2021



অনলাইন ডেস্ক : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক দলের বাজেট এবং নির্বাচনী প্রচারণার বাজেট আলাদা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও জার্মানিতে বিষয়টি আলাদা নয়৷ অর্থাৎ একটি দলকে তার বাৎসরিক বাজেট থেকেই নির্বাচনী প্রচারণার অর্থ ব্যয় করতে হবে। জার্মানিতে রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের দেয়া করের টাকা থেকে সহায়তা দেয়া হয়৷ ২০২১ সালে দলগুলো এভাবে মোট ২০০ মিলিয়ন ইউরো পাচ্ছে৷ নির্বাচনী প্রচারণার জন্য এখান থেকে টাকা খরচ করতে পারবে দলগুলো৷

রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের খরচ এবং তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য একটি ফান্ড তৈরি করে৷ এই ফান্ডে সরকারের সাহায্য যা মূলত করদাতাদের অর্থ, দলের সদস্যদের দেয়া ফি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির দেয়া দান যোগ হয়৷ জার্মানির সব বড় দলই সরকারি সাহায্য পায়, তবে কোন দল কত টাকা পাবে সেটা নির্ভর করে আঞ্চলিক, জাতীয় এবং ইইউ পর্যায়ের নির্বাচনে সেই দল কতটা সাফল্য পেয়েছে তার উপর। রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচনে একটি দল অন্তত এক শতাংশ ভোট পেলে কিংবা ইইউ বা জাতীয় নির্বাচনে অন্তত শূণ্য দশমিক পাঁচ শতাংশ ভোট পেলে একটি দল সরকারি সহায়তা পাওয়ার উপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়

সরকার তখন সেই দলকেপ্রথম চার মিলিয়ন ভোটের ক্ষেত্রে ভোটপ্রতি এক দশমিক শূণ্য ছয় ইউরো দেয়৷ এরপরের ভোটগুলোর জন্য দেয়া হয় ভোটপ্রতি ৮৭ সেন্ট বা ৮৭ টাকা৷ এছাড়া প্রতিটি দল সদস্যদের কাছ থেকে যত ইউরো ফি পায় সেটির ভিত্তিতে ইউরোপ্রতি ৪৫ সেন্ট দেয় সরকার৷ আর কোনো দলের পাওয়া ব্যক্তিগত অর্থসাহায্য বা দানের ক্ষেত্রে তিন ৩০০ ইউরো অবধি ইউরো প্রতি ৪৫ সেন্ট দেয়া হয় সরকারি তহবিল থেকে।

জার্মানির অনেক মহাসড়কে যেমন কোনো গতিসীমা নেই, তেমনি একটি দলকে একজন ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠান কত টাকা দান করতে পারবে তারও কোনো সীমা নেই। তবে, যদিও সীমা নেই, তারপরও বাস্তবতা হচ্ছে, দলগুলো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে খুব বেশি টাকা পায় না।

কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি যদি কোনো দলকে ৫০ হাজার ইউরোর বেশি দান করে, তাহলে সেটা সংসদকে জানানো হয় এবং সংসদ তখন তাদের নাম, ঠিকানাসহ দানের বিস্তারিত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে।
২০২১ সালে এভাবে একটি দলকে সবচেয়ে বেশি অর্থ দেয়া ব্যক্তি একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার। তিনি গ্রিন পার্টিকে ১০ লাখ ইউরো দান করেছেন। এক্ষেত্রে অবশ্য একটি ফাঁক এখনো রয়ে গেছে। কোনো প্রতিষ্ঠান চাইলে একটি রাজনৈতিক দলের সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মসূচি স্পন্সর করতে পারে। স্পন্সরশিপের এই বিষয়টি দলের বাজেটে অন্তর্ভূক্ত না করলেও চলে। জার্মানির বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক দলের ইভেন্ট এভাবে স্পন্সর করে।




Social Media

মন্তব্য করুন:





সর্বশেষ খবর





সর্বাধিক পঠিত



এই বিভাগের আরও খবর

আরও সংবাদ