25 September, 2021 (Saturday)
শিরোনাম

অঙ্গীকার রাখলে তালেবানকে স্বীকৃতি দেবে পাকিস্তান

প্রকাশিতঃ 15-09-2021



আন্তর্জাতিক ডেস্ক : স্বীকৃতি দেওয়ার আগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার অনুসারে মানবাধিকার সুরক্ষায় তালেবান সরকারের সক্ষমতা পর্যবেক্ষণ করছে পাকিস্তান। যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদ খান এমন খবর দিয়েছেন। ওয়াশিংটন ডিপ্লোম্যাটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তাদের প্রতি যে আহ্বান জানানো হয়েছে, সে অনুসারে তারা প্রতিশ্রুতি মেনে চলছে কিনা; তা দেখা হচ্ছে। আমরা মূলত তাদের কাছে নিজেদের প্রত্যাশার কথা বলেছি। আমরা চাই, সবার অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হোক। তালেবান সরকারকে পাকিস্তান স্বীকৃতি দেবে কি না জানতে চাইলে তিনি এমন কথা বলেন। তিনি জানান, আমরা চাই, পাকিস্তানসহ কোনো দেশের বিরুদ্ধে আফগান মাটি যাতে ব্যবহার করা না হয়। এছাড়া মানবাধিকার ও নারীদের অধিকারের সুরক্ষাও যাতে নিশ্চিত করা হয়।

রাষ্ট্রদূত আসাদ মজিদ খান বলেন, দুদেশের মধ্যে দেওয়া-নেওয়ার ইস্যু ছাড়াও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানবাধিকার সংকট এড়িয়ে যাওয়া। দেশটিতে যাতে মানবাধিকার সংকট দেখা না দেয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। আফগানিস্তানে যাতে সবকিছুর পতন না ঘটে। পরিষ্কারভাবে সেখানে নতুন বাস্তবতা এসেছে। দেশটি এখন তালেবানের অধীন শাসিত হচ্ছে। এই কূটনীতিক বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এখন দুটি পছন্দের যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হবে: প্রথমত, তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে, যার অর্থ তাদের স্বীকৃতি দেওয়া না। দ্বিতীয়ত, তাদের পরিত্যাগ করা কিংবা সম্পর্ক না রাখা।

পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ৯/১১-এর পর থেকে অপরিহার্যভাবে আফগানিস্তানের ঘটনাবলী দিয়ে পাকিস্তানকে দেখা হয়েছে। আমি বলতে পারি, আফগানিস্তানে প্রত্যাশা ও স্বার্থের জায়গা থেকে আমরা একইসঙ্গে একপক্ষেই রয়েছি। যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অবসান দেখতে চেয়েছে। যা আমরাও চেয়েছিলাম। গত কয়েক দশকে আফগানিস্তান যে অর্জন করেছে, তার সুরক্ষাই আমরা দেখতে চাচ্ছি।

পাকিস্তান উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা করছে বলে যুক্তরাষ্ট্রে যে মনোভাব রয়েছে, তা নিয়ে জানতে চাইলে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ঘটনাগুলোকে আমাদের আরও নিবিড়ভাবে দেখতে হবে। আল-কায়েদা দমনে ও আফগানিস্তানে শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ অংশীদার ও মিত্র।




Social Media

মন্তব্য করুন:





সর্বশেষ খবর





সর্বাধিক পঠিত



এই বিভাগের আরও খবর

আরও সংবাদ